যুক্তরাষ্ট্রের ৩ নভেম্বরের কংগ্রেসের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জন্য ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের রাজনৈতিক মূল্য বাড়াতে চাইছে তেহরান। আলজাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানি কর্মকর্তা ও রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি, মূল্যস্ফীতি এবং সামরিক ব্যয়ের চাপ তুলে ধরে মার্কিন জনগণের কাছে বার্তা পৌঁছানোর চেষ্টা করছে।
সেন্টার ফর ইন্টারন্যাশনাল পলিসির জ্যেষ্ঠ অনাবাসিক ফেলো সিনা তুসির মতে, ইরানের লক্ষ্য ডেমোক্র্যাটদের ক্ষমতায় আনা বা মার্কিন রাজনীতিকে নির্দিষ্ট পথে পরিচালিত করা নয়। বরং যুদ্ধ নিয়ে সামগ্রিক রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক চাপ বাড়ানো এবং তথ্যযুদ্ধের মাধ্যমে নিজেদের বক্তব্য প্রচার করাই তাদের উদ্দেশ্য। ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ও অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্টকে লক্ষ্য করে পোস্টও দিয়েছেন।
২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরুর পর ইরান হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল ব্যাহত করেছে, যা জ্বালানির দাম বাড়িয়েছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়। এএএ-এর তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে ডিজেলের দাম গ্যালনপ্রতি ৬ দশমিক ৩৩ ডলার এবং পেট্রলের দাম ৪ দশমিক ৩৩ ডলারে পৌঁছেছে। ট্রাম্প বলেছেন, নির্বাচনের পর তিনি ইরানের সঙ্গে চুক্তি করতে পারেন বা পূর্ণমাত্রার যুদ্ধে ফিরতে পারেন।
মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে যুদ্ধের অর্থনৈতিক খরচ তুলে ধরে ট্রাম্পকে চাপে রাখতে চায় ইরান
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।