জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড) আসনে বেসরকারিভাবে সর্বোচ্চ ভোট পাওয়ার পর বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও দলের সাবেক যুগ্ম মহাসচিব অধ্যাপক আসলাম চৌধুরী নতুন করে আলোচনায় এসেছেন। ঋণখেলাপি সংক্রান্ত আপিল বিভাগের রায়ের পর তার প্রার্থিতা নিয়ে আইনি জটিলতা দেখা দিয়েছে। তার আইনজীবীরা জানিয়েছেন, রায়ের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।
২০১৬ সালে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে গ্রেপ্তারের পর তার বিরুদ্ধে নাশকতা ও সহিংসতার অভিযোগে ৭৬টি মামলা হয়। বিএনপির দাবি, এসব মামলা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, তবে রাষ্ট্রীয় সংস্থাগুলো তা আইনগত প্রক্রিয়া হিসেবে দেখেছে। ২০২৪ সালের আগস্টে কারামুক্তির পর তিনি উত্তর চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার করেন, যা স্থানীয় পর্যবেক্ষকদের মতে দলীয় তৃণমূলে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে।
তার সমর্থকদের অভিযোগ, দীর্ঘ কারাবাসে রাইজিং গ্রুপের অধীনে থাকা শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এখন তার প্রধান চ্যালেঞ্জ দলীয় ঐক্য সুদৃঢ় করা, নতুন ও পুরোনো নেতৃত্বের মধ্যে সমন্বয় গড়ে তোলা এবং চলমান আইনি প্রক্রিয়া মোকাবিলা করা।
চট্টগ্রাম-৪ আসনে জয়ী আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা নিয়ে আইনি জটিলতা
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।