Web Analytics

মিডল ইস্ট আই অবলম্বনে আমার দেশে প্রকাশিত একটি বিশ্লেষণে নিউ ইয়র্ক টাইমসের জুলাইয়ের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনটির বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল, মোসাদ ইরানের সাবেক প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আহমাদিনেজাদকে দীর্ঘদিন নিজেদের গোয়েন্দা সহযোগী হিসেবে গড়ে তুলে ইসলামিক রিপাবলিক-পরবর্তী ইরানে ক্ষমতায় বসাতে চেয়েছিল। বুদাপেস্টে গোপন বৈঠক, অর্থ প্রদান এবং তেহরানে হামলার পর তাকে সরিয়ে নেওয়ার কথাও বলা হয়।

বিশ্লেষণটিতে বলা হয়, ইরানের প্রকৃত ক্ষমতা সর্বোচ্চ নেতা ও আইআরজিসির হাতে থাকায় এমন পরিকল্পনার জন্য আহমাদিনেজাদকে বেছে নেওয়া কৌশলগতভাবে অসংগত। ইউনিট ৮২০০-এর সাবেক কমান্ডার হানান গেফেনও কথিত সাক্ষাতের ক্রমধারা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁর মতে, অনির্ভরযোগ্য ও ঝুঁকিপূর্ণ লক্ষ্যবস্তুর সঙ্গে মোসাদপ্রধানের সরাসরি সাক্ষাৎ প্রচলিত পদ্ধতির ব্যতিক্রম হতো।

আহমাদিনেজাদের কার্যালয় পুরো ঘটনাকে ‘হলিউড-সুলভ দাবি’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছে এবং বানোয়াট তথ্য প্রকাশের অভিযোগ তুলেছে। নিবন্ধটি বলছে, প্রতিবেদনটি নামহীন মার্কিন ও ইরানি সূত্রের ওপর নির্ভরশীল; মোসাদ মন্তব্য করেনি এবং নথি বা শনাক্তযোগ্য গোয়েন্দা সূত্র দেওয়া হয়নি। তাই পাঠক ও নীতিবিশ্লেষকদের এটিকে প্রতিষ্ঠিত সত্য নয়, বরং বিতর্কিত বয়ান হিসেবে দেখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

06 Aug 26 1NOJOR.COM

আহমাদিনেজাদকে মোসাদের সম্পদ বানানোর অভিযোগ নিয়ে প্রতিবেদনের বিশ্বাসযোগ্যতা প্রশ্নে নিবন্ধ

Person of Interest

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।