আজ ৭ নভেম্বর বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় পালিত হচ্ছে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রায় দুই দশক পর দিনটি রাষ্ট্রীয়ভাবে উদযাপিত হচ্ছে। ১৯৭৫ সালের সিপাহি-জনতার অভ্যুত্থানকে দেশের রাজনৈতিক ও সামরিক ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ বাঁকবদল হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। ওই ঘটনায় বন্দিদশা থেকে তৎকালীন সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান মুক্ত হন এবং তার রাজনৈতিক উত্থানের পথ তৈরি হয় বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
প্রতিবেদনে ১৯৭৫ সালের রাজনৈতিক অস্থিরতা, অর্থনৈতিক সংকট ও সামরিক বাহিনীর অভ্যন্তরীণ টানাপোড়েনের প্রেক্ষাপট তুলে ধরা হয়েছে। এতে রাষ্ট্রপতিশাসিত ব্যবস্থা ও একদলীয় কাঠামো প্রবর্তন, ১৫ আগস্ট শেখ মুজিবুর রহমান নিহত হওয়া এবং ৩ নভেম্বরের অভ্যুত্থানের পর জিয়াউর রহমানকে গৃহবন্দি করার কথা বলা হয়েছে। তবে ৭ নভেম্বর কর্নেল আবু তাহের ও সামরিক বাহিনীর বিভিন্ন পক্ষের ভূমিকা নিয়ে ইতিহাসে ভিন্ন ব্যাখ্যা রয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়।
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাণীতে জাতীয় ঐক্যের আহ্বান জানিয়েছেন। আজ সাধারণ ছুটি, জাতীয় পতাকা উত্তোলন, বিশেষ প্রার্থনা, আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হবে। বিএনপি ৫ থেকে ১১ নভেম্বর সাত দিনের কর্মসূচি পালন করছে; জামায়াতে ইসলামী, এনসিপি ও লেবার পার্টিও পৃথক কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।
রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় ৭ নভেম্বর পালন করছে বাংলাদেশ, রয়েছে ছুটি ও রাজনৈতিক কর্মসূচি
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।