মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জামায়াত নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষী মানিক পশারীর দাফনকে কেন্দ্র করে পিরোজপুরে উত্তেজনা ও রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। অসুস্থতার পর ২৪ অক্টোবর টুঙ্গিপাড়ায় তাঁর মৃত্যু হয়। লাশ পিরোজপুরে আনার পর গার্ড অব অনার ও দাফন নিয়ে প্রতিবাদ হয়। পরে লাশ পুলিশ লাইনসে নেওয়া হয়, সেখানে গার্ড অব অনার দেওয়া হয় এবং শনিবার রাত ১টা থেকে ২টার মধ্যে চিথলিয়া গ্রামে পুলিশ ও প্রশাসনের নিরাপত্তায় দাফন সম্পন্ন হয়।
স্থানীয় বিএনপি নেতা ও একটি মুক্তিযোদ্ধা সংগঠন অভিযোগ করেছে, জামায়াত ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা দাফনে বাধা দিয়েছেন। তবে জামায়াত নেতারা এ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, তাঁরা জানাজা বা দাফনে বাধা দেননি; তাঁদের আপত্তি ছিল একজন প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা নন বলে যাঁকে দাবি করা হচ্ছে, তাঁকে রাষ্ট্রীয় সম্মান দেওয়ার বিষয়ে।
মানিক পশারীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে গেজেটভুক্তি নিয়েও বিতর্ক রয়েছে। জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের আহ্বায়ক বলেন, তাঁর নাম ২০১৭ সালে গেজেটভুক্ত হয় এবং যাচাই-বাছাই এখনো চলছে। প্রতিবেদনে উদ্ধৃত ট্রাইব্যুনাল নথি অনুযায়ী, ২০১১ সালে পশারী বলেছিলেন তিনি সরাসরি মুক্তিযুদ্ধ করেননি। দাফনে বাধার অভিযোগ তদন্তে জামায়াত দুই সদস্যের কমিটি করেছে; তিন দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।
মানিক পশারীর দাফন ও গার্ড অব অনার নিয়ে পিরোজপুরে রাজনৈতিক বিতর্ক
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।