বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন, ২০২৬ সালের ৯ এপ্রিল পর্যন্ত সরকারি ও বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর বকেয়া বিলের পরিমাণ ৫২ হাজার ৩০০ কোটি ৮৮ লাখ টাকা। তিনি রোববার সংসদে সরকার দলীয় সংসদ সদস্য এস এম জাহাঙ্গীর হোসেনের প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য দেন। ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে মন্ত্রী আরও জানান, পেট্রোবাংলার কাছে গ্যাস বিল বাবদ পাওনা ১১ হাজার ৬৩৪ কোটি ৬ লাখ টাকা এবং ভারত থেকে বিদ্যুৎ আমদানির বকেয়া ৩ হাজার ৮৯১ কোটি ৫৫ লাখ টাকা। বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর ব্যাংক ঋণের পরিমাণ ১ লক্ষ ৪৯ হাজার ৩১১ কোটি ২৬ লাখ টাকা।
মন্ত্রী বলেন, জ্বালানি তেল বিপণনে স্বচ্ছতা আনতে ঢাকায় পরীক্ষামূলকভাবে ফুয়েল কার্ড চালু করা হয়েছে, যা সফল হলে সারাদেশে বাস্তবায়ন করা হবে। তিনি আরও জানান, বিপিসি ৫০ শতাংশ পরিশোধিত জ্বালানি তেল সরাসরি চুক্তির মাধ্যমে এবং বাকি ৫০ শতাংশ আন্তর্জাতিক দরপত্রের মাধ্যমে আমদানি করে। সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে ক্রুড অয়েল আমদানি করা হয়, যার বেশিরভাগ হরমুজ প্রণালী দিয়ে আসে।
ইকবাল হাসান মাহমুদ আরও জানান, বিতর্কিত কুইক রেন্টাল আইন বাতিল করে বিল পাস করা হয়েছে এবং বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনার প্রক্রিয়া চলছে।
বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর বকেয়া বিল ৫২ হাজার ৩০০ কোটি টাকায় পৌঁছেছে
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।