এলপিজির উচ্চ দাম ও সরবরাহ সংকটের অভিযোগের মধ্যে বৃহস্পতিবার রাজধানীর বিয়াম মিলনায়তনে গণশুনানি করবে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রান্নার কাজে এলপিজি ব্যবহারকারী ৮৩ লাখ পরিবার ১০ আমদানিকারকের ওপর নির্ভরশীল এবং চারটি কোম্পানি বাজারের ৬৮ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ করে। বিইআরসি ৪ অক্টোবর ১২ কেজি সিলিন্ডারের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ১,৮৩৭ টাকা নির্ধারণ করলেও ভোক্তারা ২,২০০ থেকে ২,৩০০ টাকায় কিনছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের তথ্য অনুযায়ী, দেশে এলপিজি গ্রাহক এক কোটির বেশি, যার মধ্যে ৮৩ লাখ পারিবারিক ব্যবহারকারী। ব্যবসায়ীরা আন্তর্জাতিক দাম, জাহাজভাড়া, আমদানি জটিলতা ও সক্রিয় সিলিন্ডারের ঘাটতির কথা বলছেন। তাদের হিসাবে, ১০টি কোম্পানির সক্রিয় সিলিন্ডার তিন কোটি সাত লাখ, কিন্তু মাসে এক লাখ ২০ হাজার টন সরবরাহ বজায় রাখতে অন্তত তিন কোটি ৩২ লাখ সিলিন্ডার প্রয়োজন।
ক্যাব কৃত্রিম সংকট তৈরির অভিযোগ করলেও এলপিজি অপারেটর্স অ্যাসোসিয়েশন তা অস্বীকার করেছে। বিইআরসি চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ বলেছেন, গণশুনানি মানেই দাম বাড়ানো নয়; সব পক্ষের বক্তব্য ও কাগজপত্র পর্যালোচনার পর দাম বাড়তে বা কমতে পারে।
উচ্চ দাম ও সরবরাহ সংকটের অভিযোগে এলপিজি নিয়ে বিইআরসির গণশুনানি
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।