ডা. এবিএম হারুন বলেছেন, দেশে ক্যানসার, হৃদ্রোগ, ফুসফুস, লিভার ও কিডনিসহ নানা রোগের রোগনির্ণয় ও চিকিৎসা থাকলেও মানসিক প্রশান্তির কারণে অনেক বাংলাদেশি চিকিৎসার জন্য বিদেশে যান। ‘হ্যালো ডাক্তার’ বিভাগে তিনি বলেন, ২০০০-এর দশক থেকে বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা বিকশিত হয়েছে এবং বিদেশের প্রায় ২৫ শতাংশ ব্যয়ে দেশে চিকিৎসা সম্ভব বলে তিনি মনে করেন।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, অতীতে যাতায়াত ব্যয় কম এবং সেবা বেশি সংগঠিত হওয়ায় রোগীরা ভারতে যেতে আগ্রহী ছিলেন। তিনি বলেন, দেশে এখন প্রতিদিন তিন থেকে চার হাজার এনজিওগ্রাম এবং ১০০ থেকে ১৫০ বাইপাস সার্জারি হয়। ক্যানসারের রেডিওথেরাপি যন্ত্রপাতি ও ক্যানসার সার্জারিসহ প্রায় সব ধরনের চিকিৎসা বাংলাদেশে হচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
হাসপাতালের সেবার মান বাড়াতে চিকিৎসক, নার্স ও অন্যান্য কর্মীদের ব্যবহার ও রোগীকে আশ্বস্ত করার দক্ষতায় প্রশিক্ষণের ওপর জোর দেন হারুন। তিনি বলেন, বেতন, কর, ভ্যাট, যন্ত্রপাতি, ডায়াগনস্টিক রিএজেন্ট এবং বাণিজ্যিক হারে ইউটিলিটি বিলের কারণে চিকিৎসা ব্যয় বেড়েছে। অভিযোগপত্রের ব্যবস্থা এবং চিকিৎসকের ভুলে বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও তিনি বলেন।
মানসিক নিশ্চয়তার কারণে অনেক রোগী বিদেশে চিকিৎসা নিতে যান বলে মত ডা. হারুনের
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।