ঢাকা-১৪ আসনের জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আরমান যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুসন্ধান মিশনকে বলেছেন, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান ও শেখ হাসিনার পদত্যাগের পরও বাংলাদেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থায় মৌলিক পরিবর্তন সীমিত। ৮ জুন সংসদ ভবনে নেওয়া তাঁর সাক্ষাৎকারটি ১৪ অক্টোবর প্রকাশিত ২০২৬ সালের প্রতিবেদনে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। তিনি সংবিধান সংস্কার, জবাবদিহি এবং জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবি জানান।
আরমান বলেন, বিএনপি ও আওয়ামী লীগের পদ্ধতি একই এবং তারা একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ। তাঁর অভিযোগ, নতুন সংসদ সদস্যের সংখ্যা বেশি হলেও পুরোনো রাজনৈতিক মানসিকতা, লেনদেননির্ভর সিদ্ধান্ত এবং নির্বাহী ক্ষমতার কেন্দ্রীভবন অব্যাহত রয়েছে। তিনি অনলাইন কর্মী আটক, বিরোধী সংসদ সদস্যদের অনুদান থেকে বঞ্চিত করা, উপনির্বাচনকেন্দ্রিক সহিংসতা এবং ভুল তথ্যবিষয়ক প্রস্তাবিত আইন নিয়ে উদ্বেগ জানান।
তিনি দাবি করেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে চালু হওয়া বিচার বিভাগসংক্রান্ত সংস্কার এগোয়নি এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, আওয়ামী লীগ-সংশ্লিষ্ট অনেক আটক ব্যক্তি ভালো আইনজীবী বা যোগাযোগের মাধ্যমে জামিন পেয়েছেন। জুলাই আন্দোলনের সঙ্গে যুক্তদের একাংশও প্রতিশোধের আশঙ্কায় নিরাপত্তাহীন বোধ করছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।
আরমানের দাবি, পুরোনো রাজনৈতিক ধারা ও ক্ষমতার কেন্দ্রীভবন এখনো বহাল
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।