কিশোরগঞ্জের হাওরাঞ্চলের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো উন্নয়নে নেওয়া ৪৩০ কোটি ১২ লাখ ৭৮ হাজার টাকার প্রকল্পে ধীরগতি, নির্মাণ ত্রুটি ও আর্থিক অনিয়মের তথ্য পেয়েছে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের আইএমইডি। ২০২০ সালের ১৬ জানুয়ারি একনেকে অনুমোদিত প্রকল্পটি শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর বাস্তবায়ন করছে এবং এর মেয়াদ জুন ২০২৭ পর্যন্ত। মে ২০২৬ পর্যন্ত আর্থিক অগ্রগতি ৫৯ দশমিক ৮৮ শতাংশ ও বাস্তব অগ্রগতি ৭৩ দশমিক ৫ শতাংশ।
২০২০-২১ থেকে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ১৪টি অডিট আপত্তিতে ৩৪ কোটি ২৩ লাখ ৭০ হাজার টাকার অনিয়ম উঠে এসেছে, যার একটিও নিষ্পত্তি হয়নি। অতিরিক্ত পাইল, রড ও কংক্রিট দেখিয়ে বিল নেওয়া, ব্যবহার না করা রডের মূল্য পরিশোধ, চুক্তির আগে বিল দেওয়া এবং টেস্ট রিপোর্ট ছাড়া অর্থ ছাড়ের অভিযোগ রয়েছে। সরেজমিনে কয়েকটি ভবনে ফাটল, অসমান প্লাস্টার, পানি চুইয়ে পড়া, ত্রুটিপূর্ণ ঢাল ও নিম্নমানের ফিনিশিং পাওয়া গেছে।
ইটনা, মিঠামইন, অষ্টগ্রাম ও নিকলীর ২৫ প্রতিষ্ঠানে পরিকল্পিত ৩৬ ভবনের মধ্যে ১৪টির কাজ শেষ হয়েছে। তবে আসবাব, বিজ্ঞানাগার সরঞ্জাম ও আইসিটি উপকরণের অভাবে অনেক ভবন পুরোপুরি ব্যবহার শুরু হয়নি। আইএমইডি অডিট আপত্তি দ্রুত নিষ্পত্তি, নির্মাণ ত্রুটি সংশোধন, বাকি কাজ শেষ এবং উপকরণ সরবরাহের সঙ্গে নির্মাণকাজ সমন্বয়ের সুপারিশ করেছে।
কিশোরগঞ্জের ৪৩০ কোটি টাকার শিক্ষা প্রকল্পে ১৪ অডিট আপত্তি ও নির্মাণ ত্রুটি
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।