এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সামরিকভাবে শক্তিশালী হওয়া সত্ত্বেও যুক্তরাষ্ট্র সাম্প্রতিক কয়েকটি যুদ্ধে কৌশলগত বা নৈতিকভাবে পরাজিত হয়েছে। ইরানকে ধ্বংসের হুমকি দেওয়ার পর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শেষ পর্যন্ত পিছু হটেন, যা ইরানের কৌশলগত দৃঢ়তার কাছে যুক্তরাষ্ট্রের নৈতিক পরাজয় হিসেবে বর্ণিত হয়েছে। প্রতিবেদনে আফগানিস্তান, ইরাক ও ভিয়েতনাম যুদ্ধকে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যর্থ সামরিক অভিযানের উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।
ভিয়েতনাম যুদ্ধ (১৯৫৫–১৯৭৫) শেষ হয় সাইগনের পতন ও কমিউনিস্ট শাসনের অধীনে দেশের পুনরেকত্রীকরণের মধ্য দিয়ে। ইরাক যুদ্ধ (২০০৩–২০১১) সাদ্দাম হোসেনের পতনের পরও দীর্ঘস্থায়ী সহিংসতা ও অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করে। আফগানিস্তান যুদ্ধ (২০০১–২০২১) শেষ হয় তালেবানের পুনরায় ক্ষমতা দখলের মাধ্যমে। বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন প্রেসিডেন্টদের প্রস্তুতির অভাব ও সামরিক শ্রেষ্ঠত্বে অতিরিক্ত আস্থা এসব ব্যর্থতার মূল কারণ।
প্রতিবেদনটি উপসংহারে বলেছে, এসব ভুল সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্রকে ভবিষ্যৎ সংঘাতে সীমিত বিকল্পের মুখে ফেলেছে, বিশেষত ইরান ইস্যুতে, যা ট্রাম্পের প্রেসিডেন্সির সবচেয়ে কঠিন সিদ্ধান্ত হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের ভিয়েতনাম, ইরাক, আফগানিস্তান ও ইরান সংকটে কৌশলগত ব্যর্থতার বিশ্লেষণ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।