২০২৬ সালের ১০ এপ্রিল প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার জবাবে ইরানের পাল্টা হামলায় উপসাগরীয় অঞ্চলের অন্তত এক ডজন মার্কিন সামরিক ঘাঁটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষতির মাত্রা এতটাই বেশি যে ঘাঁটিগুলো এখন মার্কিন বাহিনীর জন্য উপকারের চেয়ে ঝুঁকি তৈরি করছে। নিউইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, এসব ঘাঁটি প্রায় বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়েছে, যদিও ট্রাম্প প্রশাসন এখনো ক্ষতির পরিমাণ স্বীকার করেনি।
জর্জ ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটির ‘প্রজেক্ট অন মিডল ইস্ট পলিটিক্যাল সায়েন্স’-এর পরিচালক মার্ক লিঞ্চ আরব সেন্টার ওয়াশিংটন ডিসির বার্ষিক সম্মেলনে বলেন, ইরান এক মাসের মধ্যে মার্কিন আধিপত্যের ভৌত স্থাপত্য কার্যত অকেজো করে দিয়েছে। তিনি আরও জানান, ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন এখনো প্রকাশিত হয়নি। বাহরাইন, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত, কাতার ও ওমানের ঘাঁটিগুলোতে প্রবেশাধিকার কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরানে হামলার জন্য ব্যবহৃত মার্কিন ঘাঁটিগুলোর সুরক্ষা নিশ্চিত করতেই এই গোপনীয়তা বজায় রাখা হচ্ছে।
ইরানের হামলায় উপসাগরীয় অঞ্চলের একাধিক মার্কিন ঘাঁটি গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।