মানিকগঞ্জের শিবালয়ের পাটুরিয়া ঘাটে টার্মিনালের জমি ও নদীতীর দখল করে অবৈধ বালু-মাটির ব্যবসা চলার অভিযোগ উঠেছে। ১৮ আগস্ট প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিআইডব্লিউটিএর ফোরসোর এলাকা ও নদীতীর থেকে মাটি-বালু কাটার কারণে ফেরিঘাট, নৌবন্দর এবং আশপাশের এলাকা নদীভাঙনের ঝুঁকিতে পড়েছে। চলতি বর্ষা মৌসুমে ভাঙন আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।
সরেজমিনে অন্তত পাঁচটি অবৈধ বালুর চাতালের তথ্য পাওয়া গেছে, যেখানে সরকারি জায়গা দখল করে ভেকু মেশিনে বালু-মাটি কেটে বিক্রি করা হচ্ছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। ব্যবসায়ী মিন্টু কাজী বলেন, নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও নদী ও তীরবর্তী এলাকা থেকে বালু-মাটি কাটা হচ্ছে। শিবালয় মডেল ইউপি চেয়ারম্যান জানান, বালুবাহী যানবাহনে ইউনিয়নের রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং প্রশাসনের কাছে বারবার আবেদন করেও প্রতিকার পাওয়া যায়নি।
আরিচা ও পাটুরিয়া নদীবন্দর কর্মকর্তা সুব্রত রায় বলেন, অবৈধ বালুর চাতালগুলোর তালিকা তৈরি করা হচ্ছে এবং দ্রুত উচ্ছেদ অভিযান চালানো হবে। শিবালয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনীষা রানি কর্মকার জানান, অবৈধ মাটি ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে মাঝেমধ্যে মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হচ্ছে এবং এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। ১৫ আগস্ট বিআইডব্লিউটিসির চেয়ারম্যান এটিএম আব্দুল বারী ড্যানি ঘাট পরিদর্শন করেন।
পাটুরিয়ায় অবৈধ বালু ব্যবসা বন্ধে দ্রুত উচ্ছেদ অভিযানের আশ্বাস
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।