আমার দেশের প্রকাশিত এক লেখায় জুলাই বিপ্লবের প্রেক্ষাপটে শহীদ আব্দুল রাকিবের জীবন ও মৃত্যুর ঘটনা তুলে ধরা হয়েছে। ২০০৪ সালের ১ জানুয়ারি কুমিল্লার মুরাদনগরে জন্ম নেওয়া রাকিব ছিলেন ২২ বছর বয়সি বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী তরুণ। লেখাটির ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি জুলাই আন্দোলনে যাত্রাবাড়ীর মিছিলে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন এবং বাংলাদেশের পতাকা বেঁধে সামনের সারিতে থাকতেন।
লেখায় বলা হয়, ১৯ জুলাই পুলিশের ছোড়া ছররা গুলিতে রাকিব আহত হন; প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তার পিঠে অন্তত ৫০টি ছররা বুলেট লাগে। তবু তিনি ঘরে বসে থাকেননি। শহীদ আবু সাঈদের প্রসারিত দুই হাত তাকে সাহস দিয়েছিল বলে লেখায় উল্লেখ করা হয়েছে। পুলিশের গুলির সামনে দাঁড়িয়ে তিনি দুই হাত ছড়িয়ে ‘বুক পেতেছি, গুলি কর’ বলতেন বলেও বর্ণনা করা হয়।
৫ আগস্টের ‘লং মার্চ টু ঢাকা’ কর্মসূচিতে যেতে পরিবার তাকে বাধা দেয়। অসুস্থ শরীরের কারণে তাকে ঘরে লোহার শেকলে বেঁধে রাখা হলেও পকেটে থাকা ইট দিয়ে তালা ভেঙে তিনি বের হন বলে লেখাটিতে দাবি করা হয়েছে। দুপুর ২টায় যাত্রাবাড়ী থানা ভবনের ওপর থেকে গুলিবর্ষণের সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে তিনি মারা যান বলে প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা উদ্ধৃত করা হয়েছে।
জুলাই আন্দোলনে নিহত আব্দুল রাকিবের জীবন ও মৃত্যুর বর্ণনা
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।