মানবাধিকার সংস্থা ‘অধিকার’ ২০ মে ২০২৬ তারিখে জানুয়ারি-মার্চ সময়কালের ত্রৈমাসিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এতে স্বৈরাচারী হাসিনা সরকারের পতনের পর নতুন বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতির অবনতি, রাজনৈতিক সহিংসতা এবং ভারতের ক্রমবর্ধমান হস্তক্ষেপের চিত্র উঠে এসেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংঘর্ষে ১৩ জন নিহত ও ১,৩৬৮ জন আহত হন এবং ফলাফল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের অভিযোগে হাইকোর্টে ৩৬টি রিট দায়ের করা হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, তিন মাসে ৪ জন বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন, সেনাবাহিনীর হাতে ২১ সাংবাদিককে তুলে নেওয়া হয়েছে এবং জেলখানায় দুর্নীতি ও চিকিৎসার অভাবে ২১ কয়েদির মৃত্যু ঘটেছে। সাইবার নিরাপত্তা আইন-২০২৬ ব্যবহার করে সাংবাদিক ও রাজনৈতিক কর্মীদের ওপর দমন-পীড়ন অব্যাহত রয়েছে। সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে ১ জন নিহত, ২ জন আহত এবং ১৭ জনকে অবৈধভাবে পুশ-ইন করার অভিযোগও তোলা হয়েছে।
অধিকার সতর্ক করেছে যে সংসদে ২০টি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশ বিল আকারে পেশ না হওয়ায় মানবাধিকার ও ন্যায়বিচারের পথ সংকুচিত হচ্ছে এবং রাজনৈতিক সহিংসতা ও ভারতের আধিপত্যবাদী আচরণের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।
অধিকার প্রতিবেদন: মানবাধিকার লঙ্ঘন ও ভারতের হস্তক্ষেপে নতুন বাংলাদেশের সংকট
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।