চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার উপকূলের ১৯টি মাছঘাটে ইলিশভর্তি ট্রলার ভিড়লেও স্থানীয় বাজারে মাছের বড় অংশ পৌঁছাচ্ছে না বলে প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। ৩০ জুলাই ২০২৬ প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, আড়ত থেকে ট্রাকভর্তি ইলিশ ঢাকা, যশোর, সিলেটসহ বিভিন্ন জেলায় পাঠানো হচ্ছে; ব্যবসায়ীদের দাবি, কিছু মাছ বিদেশেও রপ্তানি হয়। স্থানীয় সরবরাহ কম থাকায় খুচরা বাজারে প্রতি কেজি ইলিশ ২ হাজার থেকে ২ হাজার ৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
অনুসন্ধানে দাদননির্ভর মৎস্য বাণিজ্য, আড়তকেন্দ্রিক সিন্ডিকেট ও বহিরাগত পাইকারদের নিয়ন্ত্রণে কৃত্রিম সংকটের অভিযোগ এসেছে। সীতাকুণ্ডে নিবন্ধিত ও অনিবন্ধিত মিলিয়ে ৫ হাজার ৪১৮ জন জেলে রয়েছেন; অধিকাংশই মৌসুমের শুরুতে জ্বালানি, বরফ, জাল মেরামত ও খাদ্য ব্যয়ের জন্য দাদন নেন। শর্ত অনুযায়ী তাদের সব মাছ নির্ধারিত আড়তেই বিক্রি করতে হয়, ফলে উচ্চমূল্যের সুফল জেলেদের কাছে যায় না।
আকারভেদে আড়তে প্রতি মণ ইলিশের দাম ১৬ হাজার থেকে ১ লাখ ৭ হাজার টাকা। স্থানীয় ব্যবসায়ী ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সপ্তাহে অন্তত একদিন বাইরের জেলায় সরবরাহ বন্ধ রেখে স্থানীয় ক্রেতাদের জন্য সরাসরি বিক্রির প্রস্তাব দিয়েছেন। এক বাসিন্দার অভিযোগ, প্রায় ১ হাজার ৫০০ নৌকা থেকে চাঁদা তোলা হচ্ছে; উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা বিষয়টি তদন্তের প্রয়োজন বলেছেন।
সীতাকুণ্ডে ইলিশের সরবরাহ থাকলেও দাম ও দাদনচক্রে বিপাকে জেলে-ক্রেতারা
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।