জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থান চলাকালে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় বৃহস্পতিবার সাবেক মন্ত্রী কামরুল ইসলাম প্রথমে ট্রাইব্যুনালে হাজির হতে অস্বীকৃতি জানান। অসুস্থ অবস্থায় পিজি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় প্রসিকিউশনের নির্দেশে তাকে দুই ঘণ্টা পর ট্রাইব্যুনালে আনা হয়। এদিনই কামরুল ইসলাম ও ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেননের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আদেশ ঘোষণার কথা ছিল।
সূত্র জানায়, কারা কর্তৃপক্ষ বিষয়টি ট্রাইব্যুনালের রেজিস্ট্রার ও চিফ প্রসিকিউটরকে জানালে তাদের ব্যাখ্যা গ্রহণযোগ্য মনে হয়নি। পরে প্রসিকিউশন যেকোনো অবস্থায় তাকে হাজির করার মৌখিক নির্দেশ দেয়। বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের বেঞ্চ অভিযোগ গঠনের বিষয়ে আদেশ দেওয়ার কথা ছিল।
এর আগে ১১ মার্চ আসামিপক্ষ অভিযোগের পক্ষে প্রমাণের অভাব দেখিয়ে অব্যাহতির আবেদন করে। অন্যদিকে প্রসিকিউশন দাবি করে, শেখ হাসিনার সরকারকে টিকিয়ে রাখতে কামরুল ও মেনন উসকানিমূলক ভূমিকা পালন করেন, যার ফলে বাড্ডা এলাকায় ২৩ জন নিহত হন।
মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় দুই ঘণ্টা দেরিতে ট্রাইব্যুনালে হাজির কামরুল ইসলাম
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।