মানুষের মস্তিষ্কের মতো একসঙ্গে নানা ইন্দ্রিয়ের তথ্য গ্রহণ ও বিশ্লেষণের লক্ষ্য নিয়ে বহুমাত্রিক কৃত্রিম সিন্যাপস প্রযুক্তি তৈরি হচ্ছে। ৩ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এসব ডিভাইস বৈদ্যুতিক সংকেতের পাশাপাশি আলো, শব্দ, তাপমাত্রা, গ্যাস ও অন্যান্য বাহ্যিক উদ্দীপনায় সাড়া দিতে পারে। এই প্রযুক্তি ভবিষ্যতে বিভিন্ন ইন্দ্রিয় ব্যবহার করতে সক্ষম বুদ্ধিমান রোবট তৈরিতে ভূমিকা রাখতে পারে।
কৃত্রিম সিন্যাপসের গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য সিন্যাপটিক প্লাস্টিসিটি, যেখানে উদ্দীপনার পর ডিভাইসের বৈদ্যুতিক ধর্ম বদলায় এবং উদ্দীপনা বন্ধ হলেও কিছু সময় তার প্রভাব থাকে। অসংখ্য সিন্যাপস যুক্ত করে এমন নিউরোমরফিক নেটওয়ার্ক গঠনের সম্ভাবনা রয়েছে, যেখানে তথ্য সংরক্ষণ ও গণনা একই কাঠামোয় হবে। এতে মেমরি ও প্রসেসরের মধ্যে তথ্য স্থানান্তর কমে শক্তি সাশ্রয় হতে পারে।
মেমরিস্টরে আয়ন স্থানান্তর, ইলেকট্রন ট্র্যাপ ও ফেজ পরিবর্তনের মাধ্যমে রোধ বদলানো যায়। h-BN-ভিত্তিক একটি সিন্যাপসে শক্তি খরচ প্রায় ৬০০ পিকোওয়াট পর্যন্ত কম এবং সুইচিং সময় ১০ ন্যানোসেকেন্ডের কম হতে পারে। MoTe₂-ভিত্তিক একটি ডিভাইসে প্রায় ৯০ মিলিভোল্ট সুইচিং ভোল্টেজ ও প্রায় ১৫০ অ্যাটোজুল শক্তির কথা বলা হয়েছে। সম্ভাব্য প্রয়োগের মধ্যে স্বয়ংক্রিয় যান, স্মার্ট ক্যামেরা, চিকিৎসা-সহায়ক রোবট ও কৃত্রিম দৃষ্টি রয়েছে।
বহুমাত্রিক কৃত্রিম সিন্যাপস ভবিষ্যতের কম-শক্তির রোবট ও নিউরোমরফিক চিপে সহায়ক হতে পারে
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।