মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ের শিমুলিয়া ঘাটে পদ্মা নদীর নাব্যসংকটে পর্যটক কমে গেছে এবং পর্যটননির্ভর ব্যবসা-বাণিজ্যে বড় ধস নেমেছে। নদীর বিভিন্ন স্থানে চর জেগে ওঠায় ঘাটের স্বাভাবিক চিত্র বদলে গেছে। ঘাটের পাশে বড় চর জেগে ওঠায় চর ও ঘাটের মাঝখানে একটি খাল তৈরি হয়েছে, যেখানে পানি খুব কম বা নেই বললেই চলে।
ট্রলারগুলো এখন একটি ছোট ও ঝুঁকিপূর্ণ চ্যানেল দিয়ে চলাচল করছে। ওই চ্যানেলে মুখোমুখি দুটি ট্রলার একসঙ্গে পার হতে পারে না। পর্যাপ্ত সুবিধা না থাকায় ট্রলার থেকে নামার সময় যাত্রী ও পর্যটকেরা কাদায় পড়ে যাচ্ছেন; কখনো আহতও হচ্ছেন। ইজারাদারদের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘাটকে কেন্দ্র করে ৯ শতাধিক ট্রলারচালক ও শ্রমিক যুক্ত আছেন এবং দুটি ঘাটের ইজারা হয়েছে অর্ধকোটি টাকার বেশি।
স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীরা নাব্য ফিরিয়ে আনতে ঘাটসংলগ্ন চর কাটার দাবি জানিয়েছেন। শিমুলিয়া নদীবন্দরের বন্দর কর্মকর্তা শাহ নেওয়াজ খান বলেন, নদী থেকে খালে পর্যটকবাহী ট্রলার ঠিকভাবে যাতায়াত করতে না পারায় দর্শনার্থীরা ভোগান্তিতে পড়ছেন। তিনি জানান, বিআইডব্লিউটিএ শিগগির চর কেটে নাব্য ফেরাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে; তবে এ কাজে স্থানীয় সব মহলের সহযোগিতা প্রয়োজন।
শিমুলিয়া ঘাটের চর ও নাব্যসংকটে ট্রলার চলাচল, পর্যটন ও ব্যবসা ব্যাহত
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।