ইয়েমেনে ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে সৌদি আরবের সামরিক অভিযানে ইসরাইলকে যুক্ত করার প্রস্তাব দিয়েছিলেন ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তবে সৌদি যুবরাজ ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমান এতে সম্মতি দেননি বলে কূটনৈতিক সূত্রের বরাতে জানানো হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় প্রস্তাবটি সৌদি আরবের কাছে পাঠানো হয়েছিল। তবে প্রস্তাব বা তা প্রত্যাখ্যানের বিষয়ে সৌদি আরব কিংবা ইসরাইল আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য দেয়নি।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইসরাইলি বাহিনীকে সরাসরি সামরিক অভিযানে যুক্ত করার বিরোধিতা করেছেন মোহাম্মদ বিন সালমান। তার আশঙ্কা, ইসরাইলের সঙ্গে প্রকাশ্য সামরিক সহযোগিতা সৌদি জনগণের মধ্যে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে। তেল আবিব সামরিক সহযোগিতার মাধ্যমে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার করতে এবং ভবিষ্যতে আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার পথ তৈরি করতে চেয়েছিল।
সৌদি আরব ও ইসরাইলের মধ্যে এখনো আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই। রিয়াদ বলেছে, ফিলিস্তিন সংকটের সমাধান ও স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় অগ্রগতি ছাড়া সম্পর্ক স্বাভাবিক করা কঠিন। হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা এবং বিমান চলাচলে বিঘ্নের মধ্যে এই খবর সামনে এসেছে। ২০১৫ সালে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট ইয়েমেনের গৃহযুদ্ধে হস্তক্ষেপ করে; ২০২২ সালের জাতিসংঘ-মধ্যস্থ যুদ্ধবিরতির পর বড় লড়াই কমলেও সাম্প্রতিক সময়ে উত্তেজনা বেড়েছে।
হুথিবিরোধী অভিযানে ইসরাইলের ভূমিকার প্রস্তাবে আপত্তি সৌদি যুবরাজের
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।