হরমুজ প্রণালিতে নৌ-অবরোধ ও উত্তেজনাকর পরিস্থিতির কারণে পাকিস্তানের করাচি বন্দরে ইরানের উদ্দেশ্যে পাঠানো তিন হাজার কনটেইনার আটকা পড়েছে। সম্প্রতি প্রকাশিত নথিতে এই কনটেইনারগুলো উদ্ধারে সহায়তা চাওয়া হয়েছে। কনটেইনারগুলো ট্রান্স-শিপমেন্টের মাধ্যমে ইরানে যাওয়ার কথা থাকলেও তা গন্তব্যে পৌঁছাতে না পেরে করাচিতে খালাস করা হয়। এখন পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে স্থলপথে সীমান্ত পর্যন্ত কনটেইনার পাঠানোর বিষয়ে আলোচনা চলছে, যেখানে ইরানি ট্রাকগুলো সীমান্ত থেকে তা ইরানে নিয়ে যাবে।
সমুদ্র বিশেষজ্ঞ ও শিপিং শিল্প সংশ্লিষ্টদের মতে, ইরান বর্তমানে চীনের সঙ্গে লেনদেনে ইউয়ান ও ক্রিপ্টোকারেন্সির মাধ্যমে টোল আদায় করছে। তেলের জন্য প্রতি ব্যারেলে প্রায় এক ডলার করে চার্জ নেওয়া হচ্ছে এবং অন্যান্য কার্গোর ক্ষেত্রেও তেলের মূল্যের ওপর ভিত্তি করে চার্জ নির্ধারণ করা হচ্ছে। এতে ইরান বিপুল অর্থ আয় করছে। তবে যুক্তরাষ্ট্র এই সরবরাহ ব্যবস্থা বাধাগ্রস্ত করার পথ খুঁজে পেয়েছে এবং নৌ-অবরোধের ফলে বেশ কিছু জাহাজ ইতিমধ্যে আটকে পড়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই অবরোধ সরাসরি যুদ্ধ নয়, বরং ইরানের ওপর চাপ সৃষ্টির কৌশল হিসেবে কাজ করছে।
হরমুজ প্রণালির অবরোধে করাচি বন্দরে ইরানের তিন হাজার কনটেইনার আটকা
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।