খোরশেদ মুকুলের একটি প্রবন্ধে মুহিম মাহফুজ সম্পাদিত আল মাহমুদের প্রবন্ধসংকলন ‘বাঙালি মুসলমানের শত্রুমিত্র’-কে বাঙালি মুসলমানের আত্মপরিচয় ও সাংস্কৃতিক প্রতিরোধের গুরুত্বপূর্ণ বুদ্ধিবৃত্তিক দলিল হিসেবে মূল্যায়ন করা হয়েছে। ২৫ জুলাই ২০২৬ প্রকাশিত লেখাটিতে সংকলনটির উপশিরোনাম ‘সাংস্কৃতিক স্বৈরাচার মোকাবেলায় নির্বাচিত প্রবন্ধ’ উল্লেখ করে বলা হয়েছে, এতে দীর্ঘ কয়েক দশকের চিন্তাগত মোকাবিলার প্রতিফলন রয়েছে।
লেখকের মতে, আল মাহমুদ চার দশক ধরে সাংস্কৃতিক স্বৈরাচার, বুদ্ধিবৃত্তিক একচেটিয়াকরণ এবং সংখ্যাগরিষ্ঠ বাঙালি মুসলমানের ইতিহাস-ঐতিহ্যকে প্রান্তিক করার প্রবণতার বিরুদ্ধে লিখেছেন। জুলাই ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থানের সময় তাঁর কিছু কবিতা আবৃত্তি ও দেয়াললিখনে ব্যবহৃত হওয়ায় তাঁর সমকালীন প্রাসঙ্গিকতাও নতুনভাবে আলোচিত হয়েছে।
সংকলনে ৭৮টি প্রবন্ধ রয়েছে এবং বাংলাদেশ, বাঙালি মুসলমান, সংস্কৃতি, সাহিত্য, ইতিহাস ও রাজনৈতিক অধিকারবিষয়ক রচনাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। প্রবন্ধে বলা হয়, আল মাহমুদের গদ্য কাব্যময়, তীক্ষ্ণ ও প্রত্যয়দীপ্ত; এতে ইতিহাস, সংস্কৃতি, সাহিত্য ও সমকালকে একসূত্রে যুক্ত করা হয়েছে। লেখক মনে করেন, সব বক্তব্যে একমত না হলেও স্বাধীনতা-পরবর্তী বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক বিতর্ক বুঝতে তাঁকে পাঠ করা জরুরি।
আল মাহমুদের প্রবন্ধসংকলনকে সাংস্কৃতিক আত্মপরিচয় ও প্রতিরোধের দলিল হিসেবে মূল্যায়ন
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।