দিনাজপুরের খানসামা উপজেলায় গৃহহীন ও ভূমিহীন মানুষের জন্য সরকারি আশ্রয়ণ প্রকল্পে বরাদ্দ দেওয়া ঘর বিক্রি, হাতবদল ও ভাড়া দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, অনেক সুবিধাভোগী বরাদ্দ পাওয়ার পর আর সেখানে বসবাস করছেন না। কিছু ঘর দীর্ঘদিন তালাবদ্ধ, কিছু ভাড়া দেওয়া হয়েছে এবং স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নিয়ে টাকার বিনিময়ে ঘরসহ জায়গা হাতবদলের অভিযোগও রয়েছে। কয়েকজন বাসিন্দা সরাসরি টাকা দিয়ে ঘর কেনার কথাও জানিয়েছেন।
আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দা আবুল হোসেন বলেন, এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে তিনি আনিছুরের কাছ থেকে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকায় স্ট্যাম্পের মাধ্যমে ঘরসহ জায়গা কিনেছেন। তিনি দাবি করেন, সরকারি আশ্রয়ণের ঘর কেনাবেচা করা যায় না, তা তিনি জানতেন না। স্থানীয়রা আরও কয়েকটি ঘর বিক্রির অভিযোগ করেছেন এবং টংগুয়ার আমতলীর এক সুবিধাভোগীর বিরুদ্ধে নিজের ঘর ভাড়া দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন।
স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী, জয়গঞ্জের খেয়াঘাট আশ্রয়ণ প্রকল্পে ১১৮টি ঘরের মধ্যে বর্তমানে প্রায় ৪৫ থেকে ৫৫টিতে পরিবার বসবাস করছে। তাঁদের দাবি, প্রায় ৩৫ থেকে ৪০টি ঘর বিক্রি বা হাতবদল হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কামরুজ্জামান সরকার বলেন, আশ্রয়ণের ঘর বিক্রির সুযোগ নেই; বরাদ্দ পেয়েও যারা বসবাস করছেন না, তাদের বরাদ্দ এক মাসের মধ্যে বাতিলের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা হবে।
খানসামায় আশ্রয়ণ ঘর বিক্রি ও ভাড়ার অভিযোগে অনাবাসী বরাদ্দ বাতিলের সিদ্ধান্ত
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।