মাসকাওয়াথ আহসানের লেখা এই প্রতিবেদনটি ২০ জুলাই ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত হয়। এতে বলা হয়েছে, নাইন-ইলেভেনের পর আফগানিস্তানে তালিবান সরকার পতনের পর যুক্তরাষ্ট্র ভারতের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তোলে এবং আফগানিস্তান পুনর্গঠনে ভারতকে অংশীদার করে। পাকিস্তানের স্বশাসনপন্থী অবস্থানের কারণে ওয়াশিংটন-ইসলামাবাদ সম্পর্ক দুর্বল হয়। লেখকের মতে, এই প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশেও ভারতের প্রভাব বৃদ্ধি পায় এবং ‘ওয়ার অন টেরর’-এর নামে রাজনৈতিক পরিবর্তন ঘটে।
প্রতিবেদনটি দাবি করে, আফগানিস্তানে ভারতীয় শিক্ষকদের পাঠানোর মাধ্যমে দিল্লি সেখানে সাংস্কৃতিক প্রভাব বিস্তার করে এবং শিক্ষার মাধ্যমে ভারতপ্রীতি গড়ে তোলে। পরবর্তীতে ভারত পাকিস্তানের অভ্যন্তরে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির জন্য জঙ্গিগোষ্ঠী টিটিপি-কে ব্যবহার করতে শুরু করে, বিশেষ করে চীনের বিনিয়োগকেন্দ্রিক বেলুচিস্তান অঞ্চলে। লেখকের মতে, এসব পদক্ষেপ ভারতের দীর্ঘমেয়াদি আধিপত্য কৌশলের অংশ।
প্রতিবেদনটি উপসংহারে বলে, ভারত-পাকিস্তানের এই স্থায়ী শত্রুতা উভয় দেশের রাজনৈতিক ও সামরিক নেতৃত্বকে লাভবান করে এবং তাদের প্রশাসনিক দুর্বলতা আড়াল করতে সহায়তা করে।
নাইন-ইলেভেনের পর দক্ষিণ এশিয়ায় ভারতের সাংস্কৃতিক ও প্রক্সিযুদ্ধের রাজনীতি বিশ্লেষণ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।