একটি সম্পাদকীয়তে সতর্ক করা হয়েছে, বাংলাদেশে ক্ষমতাসীন ও বিরোধী দলের মধ্যে বাড়তে থাকা মতভেদ নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ-সংশ্লিষ্ট শক্তির সহিংসতা ও রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা তৈরির সুযোগ করে দিতে পারে। নির্বাচিত সরকারের সাত মাসের মাথায় বিরোধী দল সাত দফা দাবি নিয়ে লংমার্চের মতো কর্মসূচি পালন করছে এবং প্রয়োজনে এক দফার আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিচ্ছে বলে এতে উল্লেখ করা হয়েছে।
লেখাটিতে বলা হয়েছে, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ও সংবিধান সংশোধনের উদ্যোগকে ঘিরেই মূলত অবিশ্বাস বেড়েছে। সংবিধান সংশোধন কমিটিতে বিরোধী দলের অংশগ্রহণ নেই; তারা সংশোধন কমিটির বদলে সংবিধান সংস্কার কমিটি চায়। জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল, গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল এবং স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন প্রতিষ্ঠার আইন নিয়েও বিরোধী দলের অসন্তোষের কথা তুলে ধরা হয়েছে।
সম্পাদকীয়টি দুই পক্ষের পর্দার অন্তরালের আলোচনা, সমঝোতা এবং বিরোধী দলকে আস্থায় নিয়ে দৃশ্যমান সাংবিধানিক সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছে। এতে অভিযোগ করা হয়েছে, আগের শাসনামলের সুবিধাভোগীরা পুলিশ ও বেসামরিক আমলাতন্ত্রে প্রভাবশালী থাকায় প্রশাসনে স্থবিরতা তৈরি হয়েছে। কিছু ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তা অর্থের বিনিময়ে পতিত শক্তির কর্মসূচির অনুমতি দিয়েছেন বলে গণমাধ্যমের প্রতিবেদনের কথাও উল্লেখ করে রাজনৈতিক ঐক্যের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়েছে।
রাজনৈতিক বিভাজন কমাতে সংলাপ ও সাংবিধানিক সংস্কারের আহ্বান সম্পাদকীয়তে
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।