আসন্ন ঈদুল আজহা ২০২৬ উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন জেলায় কোরবানির পশু প্রস্তুতিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন খামারিরা। প্রাণিসম্পদ দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, দিনাজপুর জেলায় ৪ লাখ ২৬ হাজার ৫২৩টি পশু প্রস্তুত করা হয়েছে, যেখানে চাহিদা ২ লাখ ৭৩ হাজার ২৬২টি। ফলে উদ্বৃত্ত রয়েছে ১ লাখ ৫৩ হাজারের বেশি পশু। একইভাবে মাদারীপুরের শিবচর, জামালপুরের মাদারগঞ্জ ও পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলাতেও চাহিদার তুলনায় বেশি পশু প্রস্তুত রয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন সীমান্ত এলাকায় ভারতীয় গরু প্রবেশ ঠেকাতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছে।
বিভিন্ন জেলার প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, খামারিরা প্রাকৃতিক উপায়ে পশু মোটাতাজা করছেন এবং কোনো রাসায়নিক বা হরমোন ব্যবহার করা হচ্ছে না। খামারিদের প্রশিক্ষণ ও পশু চিকিৎসা সহায়তা দেওয়া হচ্ছে যাতে নিরাপদ মাংস উৎপাদন নিশ্চিত হয়। তবে পশুখাদ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় উৎপাদন খরচও বেড়েছে, ফলে ন্যায্যমূল্য পাওয়া নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন অনেক খামারি।
প্রাণিসম্পদ বিভাগ আশা করছে, উদ্বৃত্ত পশু দেশের অন্যান্য জেলায় সরবরাহ করা সম্ভব হবে, ফলে কোরবানির ঈদে পশুর সংকট দেখা দেবে না।
কোরবানির ঈদে দেশি পশুর উদ্বৃত্ত, ভারতীয় গরু প্রবেশে খামারিদের শঙ্কা
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।