মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের মধ্যে ইরান সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান বিমান ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায়, যাতে যুক্তরাষ্ট্রের একটি অত্যাধুনিক ‘ফ্লাইং রাডার’ বিমান ধ্বংস হয়। এই হামলায় ১২ জন মার্কিন সেনা আহত হন এবং একাধিক সামরিক বিমান ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এর মধ্যে একটি ই–৩ সেন্ট্রি বিমানও রয়েছে, যা আকাশভিত্তিক সতর্কীকরণ ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার অংশ বলে দ্য ওয়ালস্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফের তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের সক্রিয় বহরে বর্তমানে মাত্র ১৬টি ই–৩ সেন্ট্রি বিমান রয়েছে, প্রতিটি তৈরি করতে প্রায় ৩৭০ মিলিয়ন পাউন্ড (প্রায় ৫০০ মিলিয়ন ডলার) ব্যয় হয়। এই বিমান শত শত মাইল দূর থেকে ড্রোন, ক্ষেপণাস্ত্র ও অন্যান্য বিমান শনাক্ত করতে সক্ষম এবং যুদ্ধক্ষেত্র পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, এই ধরনের বিমান কমান্ডারদের তাৎক্ষণিক যুদ্ধক্ষেত্রের চিত্র সরবরাহ করে, যা দ্রুত সেনা ও সরঞ্জাম মোতায়েনের মাধ্যমে হুমকি প্রতিহত করতে সহায়তা করে।
ইরানের হামলায় সৌদি ঘাঁটিতে যুক্তরাষ্ট্রের ই–৩ সেন্ট্রি বিমান ধ্বংস, আহত ১২ সেনা
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।