জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) অভিযোগ করেছে, অন্তর্বর্তী সরকারের সম্প্রসারিত এসেনশিয়াল ড্রাগ লিস্ট-২০২৬ এবং ড্রাগ প্রাইস ডিটারমিনেশন মেথড-২০২৬ বাতিল করে সরকার সাধারণ মানুষের চিকিৎসা নিরাপত্তা ঝুঁকিতে ফেলছে। ১১ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, সোমবার দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও সদস্য সচিব আখতার হোসেনের যৌথ বিবৃতিতে এই অভিযোগ ও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। সিদ্ধান্ত বাতিল না হলে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলার কথা জানিয়েছে দলটি।
এনসিপির ভাষ্য অনুযায়ী, আগে নামমাত্র ১১৭টি ওষুধের তালিকার প্রায় ৪০ শতাংশ চিকিৎসায় অকার্যকর হয়ে পড়েছিল। অন্তর্বর্তী সরকার তালিকাটি ২৯৫টি ওষুধে বাড়িয়ে মূল্য নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছিল, যা দেশের প্রায় ৮০ শতাংশ মানুষের প্রাথমিক চিকিৎসার চাহিদা মেটাতে সক্ষম বলে দলটির দাবি। নীতিতে কোম্পানিগুলোর বার্ষিক বিক্রয়ের অন্তত ২৫ শতাংশ অত্যাবশ্যকীয় ওষুধ উৎপাদন ও সরবরাহের বাধ্যবাধকতাও ছিল বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।
দলটি বলেছে, বর্তমান সরকার তালিকা আবার ১১৭টিতে নামিয়ে এনেছে এবং ওষুধের মূল্য নির্ধারণের ক্ষমতা বেসরকারি কোম্পানির হাতে দিয়েছে। এনসিপি ২৯৫টি ওষুধের কার্যকর মূল্য নিয়ন্ত্রণ পুনরায় চালু, গেজেটের মাধ্যমে জীবনরক্ষাকারী ওষুধের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য নির্ধারণ এবং বিজ্ঞানসম্মত জনমুখী জাতীয় ওষুধনীতি প্রণয়নের দাবি জানিয়েছে।
অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা ও মূল্যনিয়ন্ত্রণ পুনর্বহালের দাবি এনসিপির
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।