বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৪২ জন হাসপাতালে ভর্তি রোগীর ওপর গবেষণায় ৪৮.৫৪ শতাংশের মধ্যে অন্তত একটি মানসিক রোগ শনাক্ত হয়েছে। তবে তাঁদের মাত্র ৭ শতাংশকে মানসিক স্বাস্থ্যসেবার জন্য বিশেষজ্ঞের কাছে পাঠানো হয়। চলতি বছরের ৩ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক সাময়িকী হেলথ সায়েন্স রিপোর্টসে গবেষণাটি প্রকাশিত হয়। বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস আজ পালিত হচ্ছে ‘জীবনের কথা শুনি, বাস্তব পরিবর্তন আনি’ প্রতিপাদ্যে।
গবেষণায় ক্যানসার বিভাগে ভর্তি রোগীদের ৮৮.২৪ শতাংশ, মেডিসিনে ৫১.৬৪ শতাংশ, সার্জারিতে ৩৮.৭৫ শতাংশ এবং স্নায়ুরোগ বিভাগে ৩১.২৫ শতাংশের মানসিক রোগ পাওয়া গেছে। জাতীয় জরিপে প্রাপ্তবয়স্কদের ১৮.৭ শতাংশ ও শিশু-কিশোরদের ১২.৬ শতাংশ মানসিক সমস্যায় আক্রান্ত বলে উঠে এসেছে। আক্রান্ত প্রাপ্তবয়স্কদের ৯২.৩ শতাংশ এবং শিশু-কিশোরদের ৯৪.৫ শতাংশ প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত।
বিশেষজ্ঞরা সচেতনতার অভাব, কুসংস্কার, চিকিৎসা ব্যয়, দক্ষ জনবলের সংকট, অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা ও অপর্যাপ্ত বাজেটকে প্রধান বাধা বলেছেন। দেশে ৩৮০ জন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ, ৬০০ জন মনোবিজ্ঞানী ও ১০ জন মনোরোগবিষয়ক প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সমাজকর্মী রয়েছেন। তাঁরা জেলা-উপজেলায় সেবা সম্প্রসারণ, মেডিকেল কলেজে মনোরোগবিদ্যা বিভাগ স্থাপন এবং প্রয়োজনীয় পদ সৃষ্টির ওপর জোর দিয়েছেন।
বিএমইউ গবেষণায় হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের ৪৮.৫৪ শতাংশের মানসিক রোগ শনাক্ত
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।