ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেছেন, বাংলাদেশ সরকার কখনো মহাকাশ, স্যাটেলাইট ও ড্রোন প্রযুক্তিকে বিলাসিতা হিসেবে দেখেনি। সোমবার ঢাকার রমনায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (আইইবি)-তে ‘Satellites, Drones and the Future of Space Technology in Bangladesh’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি বলেন, এসব প্রযুক্তি এখন জাতীয় উন্নয়ন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, কৃষি, মৎস্য, যোগাযোগ ও নিরাপত্তা খাতের অপরিহার্য অংশ। তিনি ২০১৮ সালে উৎক্ষেপিত দেশের প্রথম স্যাটেলাইটকে মহাকাশ প্রযুক্তির বড় মাইলফলক হিসেবে উল্লেখ করেন।
মন্ত্রী জানান, সরকার এখন লো আর্থ অরবিট (LEO) স্যাটেলাইট স্থাপনের পরিকল্পনা করছে, যা কৃষি, নদীভাঙন, উপকূলীয় নিরাপত্তা ও পরিবেশ পর্যবেক্ষণে আরও নির্ভুল তথ্য দেবে। তিনি বলেন, স্যাটেলাইট প্রযুক্তির মাধ্যমে আবহাওয়ার পূর্বাভাস দ্রুত জেলেদের কাছে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব। ড্রোন প্রযুক্তিও এখন সীমান্ত নিরাপত্তা, ভূমি জরিপ, অবকাঠামো পর্যবেক্ষণ ও দুর্যোগ মোকাবিলায় ব্যবহৃত হচ্ছে।
বিএসসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মুহাম্মদ ইমাদুর রহমান বলেন, মহাকাশ প্রযুক্তি চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের চালিকাশক্তি এবং এটি উন্নয়নশীল দেশগুলোর অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও জলবায়ু সহনশীলতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
জাতীয় উন্নয়নে স্যাটেলাইট ও ড্রোন প্রযুক্তিকে গুরুত্ব দিচ্ছে বাংলাদেশ সরকার
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।