মৌলভীবাজারে গ্রাফটিং পদ্ধতিতে আগাম, রবি ও গ্রীষ্ম মৌসুমে টমেটোর উৎপাদন বাড়লেও কম বাজারদামে লোকসানের আশঙ্কায় পড়েছেন কৃষকেরা। জেলার প্রধান টমেটো উৎপাদন এলাকা কমলগঞ্জ থেকে টমেটো ও গ্রাফটিং চারা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরবরাহ করা হয়। চাষিদের অভিযোগ, সার, কীটনাশক, শ্রমিক ও অন্যান্য উপকরণের ব্যয় বাড়লেও সে অনুযায়ী দাম মিলছে না।
কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, চলতি বছর রবি মৌসুমে ১ হাজার ২০০ হেক্টর, খরিপ-১ মৌসুমে ১৩০ হেক্টর এবং গ্রীষ্মে ১৯ হেক্টর জমিতে টমেটো চাষ হয়েছে। ৬৫ লাখের বেশি গ্রাফটিং চারা উৎপাদিত হয়েছে, যার প্রতিটি ১২ থেকে ১৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কৃষকদের ভাষ্য, গত বছর এ সময়ে আগাম টমেটো কেজিপ্রতি ১০০ থেকে ১১০ টাকায় বিক্রি হলেও এবার তা ৫০ থেকে ৬০ টাকায় নেমেছে।
চাষিরা হিমাগার ও প্রক্রিয়াজাতকরণ ব্যবস্থার অভাব, নদীভাঙনের ক্ষতি এবং রোগবালাইয়ের কথা বলেছেন। কর্মকর্তারা জানান, প্রণোদনার জন্য তালিকা তৈরি হচ্ছে এবং এখন পর্যন্ত ৩৮০ কৃষকের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। স্থানীয় সংসদ সদস্যদের সঙ্গে হিমাগার স্থাপনের বিষয়েও আলোচনা চলছে বলে কৃষি বিভাগ জানিয়েছে।
মৌলভীবাজারে বাড়তি খরচ ও কম দামে সংকটে গ্রাফটিং টমেটো চাষিরা
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।