Web Analytics

বাংলাদেশে ডিজেল ও সারের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে, যার ফলে কৃষকরা চড়া দামে উপকরণ কিনতে বাধ্য হচ্ছেন এবং সেচ কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। মাঠ পর্যায়ের প্রতিবেদনে দেখা গেছে, বিদ্যুৎ বিভ্রাট ও জ্বালানি ঘাটতির কারণে অনেক এলাকায় সেচযন্ত্র বন্ধ হয়ে গেছে। ৫০ কেজির এক বস্তা ইউরিয়ার দাম সরকারি নির্ধারিত ১,৩৫০ টাকার পরিবর্তে ২,০০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। গ্যাস সংকটে ৯৯ শতাংশ সার কারখানা বন্ধ থাকায় উৎপাদন কমে গেছে এবং প্রান্তিক কৃষকরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর দাবি করেছে, দেশে পর্যাপ্ত সার মজুত রয়েছে এবং সংকটের অভিযোগ ভিত্তিহীন। তবে ঝিনাইদহ ও নীলফামারীসহ বিভিন্ন অঞ্চলে কৃষক ও ডিলাররা সারের ঘাটতি ও অতিরিক্ত দামের অভিযোগ করেছেন। সরকার ৫ লাখ মেট্রিক টন সার আমদানির উদ্যোগ নিয়েছে, যার একটি অংশের দরপত্র ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।

ডিজেলের দাম ১০–১৫ শতাংশ বৃদ্ধি পাওয়ায় সেচ ও পরিবহন ব্যয় বেড়েছে। এতে উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি, ফসলের ফলন হ্রাস এবং খাদ্যদ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে কৃষি খাত ও খাদ্য নিরাপত্তা বড় ঝুঁকিতে পড়তে পারে।

22 Apr 26 1NOJOR.COM

ডিজেল ও সারের সংকটে কৃষি উৎপাদন ব্যাহত, ব্যয় বেড়েছে দেশে

Person of Interest

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।