ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা অধ্যাদেশ বৈধকরণের কাজ শেষ করেছে জাতীয় সংসদ। মোট ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে ১১৩টি ৮৭টি বিলের মাধ্যমে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে এবং চারটি পৃথক বিলের মাধ্যমে সাতটি অধ্যাদেশ রহিত করা হয়েছে। গণভোট, পুলিশ কমিশন ও দুর্নীতি দমন কমিশন সংশোধনসহ ১৩টি অধ্যাদেশ অনুমোদন না পাওয়ায় আজ থেকে মোট ২০টি অধ্যাদেশ কার্যকারিতা হারাচ্ছে। টানা ছয় দিনে সংসদ ৯১টি বিল পাস করে ১২০টি অধ্যাদেশ নিষ্পত্তি করেছে, যা সংসদের ইতিহাসে নজিরবিহীন।
রহিতকৃত অধ্যাদেশগুলোর মধ্যে রয়েছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় ও সংসদ সচিবালয় সংক্রান্ত অধ্যাদেশ। অনুমোদন না পাওয়া অধ্যাদেশগুলোর অধীনে গৃহীত কার্যক্রমের আইনি সুরক্ষা নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে, বিশেষ করে ২০২৬ সালের গণভোটের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। শেষ দিনে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর বিল’ সংশোধন করায় বিরোধী দল সমঝোতা ভঙ্গের অভিযোগ তুলে ওয়াকআউট করে।
শেষ দিনে ২৮টি বিল পাস হয়, যার মধ্যে উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, আর্থিক সংস্কার ও সামাজিক কল্যাণ সংক্রান্ত বিল অন্তর্ভুক্ত। সংসদের পরবর্তী বৈঠক ১৫ এপ্রিল সকাল ১১টায় অনুষ্ঠিত হবে।
বাংলাদেশ সংসদে অন্তর্বর্তী অধ্যাদেশ নিষ্পত্তি, গণভোটসহ ২০টি আজ থেকে অকার্যকর
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।