ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির নিরঙ্কুশ জয়ের পর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বিএনপি নেতা তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়ে গণতান্ত্রিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রতিবেশী দেশের প্রতি ভারতের সমর্থনের প্রতিশ্রুতি দেন। বাংলায় লেখা বার্তায় মোদির সুর ছিল সতর্ক ও ভবিষ্যতমুখী, যা শেখ হাসিনার পতনের পর দুই দেশের টানাপোড়েনপূর্ণ সম্পর্ক পুনর্গঠনের ইঙ্গিত দেয়। ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে হাসিনার পতন ও তার ভারতে নির্বাসন দুই দেশের মধ্যে অবিশ্বাস গভীর করেছে।
হাসিনার কর্তৃত্ববাদী শাসনকে দিল্লির সমর্থন, সীমান্ত হত্যা, পানি বিরোধ, বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা ও যোগাযোগ স্থগিতের মতো ইস্যু সম্পর্ককে আরও জটিল করেছে। বিশ্লেষকদের মতে, পারস্পরিক সংযম ও সহযোগিতার মাধ্যমেই সম্পর্ক পুনর্গঠন সম্ভব। অতীতের নিরাপত্তা ও সংখ্যালঘু সুরক্ষা ইস্যু এখনও দুই দেশের কূটনীতিতে প্রভাব ফেলছে।
তবে ভৌগোলিক অবস্থান, বাণিজ্যিক সম্পর্ক ও নিরাপত্তা সহযোগিতা দুই দেশকে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত রেখেছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, বড় প্রতিবেশী হিসেবে ভারতেরই উচিত আলোচনার উদ্যোগ নিয়ে সম্পর্ক স্থিতিশীল করা।
হাসিনার নির্বাসনের পর বিএনপি নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্গঠনে সতর্ক ভারত
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।