বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের বৈঠক দক্ষিণ কোরিয়ার জন্য পরোক্ষভাবে ইতিবাচক হতে পারে। জাপানের নাগোয়া ইউনিভার্সিটি অব কমার্স অ্যান্ড বিজনেসের সহকারী অধ্যাপক কিম সোইয়ং আল জাজিরাকে বলেন, যদি শি জিনপিং ইরানকে হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দিতে রাজি করাতে পারেন, তবে তা দক্ষিণ কোরিয়ার জ্বালানি সরবরাহে বড় স্বস্তি আনবে। বর্তমানে প্রণালিতে অস্থিরতার কারণে দেশটির তেল ও গ্যাস আমদানিতে চাপ তৈরি হয়েছে।
সিউল ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করছে যুক্তরাষ্ট্র তাইওয়ান ইস্যুতে নীতিতে কোনো পরিবর্তন আনে কি না, কারণ এমন পরিবর্তন পূর্ব এশিয়ার নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে প্রভাব ফেলতে পারে। কিম সোইয়ং বলেন, এই বৈঠক দক্ষিণ কোরিয়ার আঞ্চলিক কূটনৈতিক কৌশল এবং চীনের সঙ্গে সম্পর্কের দিকনির্দেশনাতেও প্রভাব ফেলতে পারে।
ট্রাম্প-শি বৈঠকের আগে সিউলে অনুষ্ঠিত যুক্তরাষ্ট্র-চীন প্রতিনিধিদের চূড়ান্ত পর্যায়ের আলোচনাকে দক্ষিণ কোরিয়ার ক্রমবর্ধমান কূটনৈতিক ভূমিকার ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে।
ট্রাম্প-জিনপিং বৈঠক দক্ষিণ কোরিয়ার জ্বালানি ও কূটনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।