অধিকৃত পশ্চিম তীরের ফিলিস্তিনি গ্রাম জালুদে ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারীদের বড় হামলার পর উগ্র ও আদর্শনির্ভর নতুন প্রজন্মের বসতি আন্দোলন নিয়ে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার ভোরে ১০০ জনের বেশি বসতি স্থাপনকারী গ্রামটিতে হামলা চালায় এবং এতে ইসরাইলি নিরাপত্তা বাহিনীর তিন সদস্য আহত হন। হামলার সময় ইসরাইলি সেনারা বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতার কারণে আগে ঘর ছাড়তে বাধ্য হওয়া একটি ফিলিস্তিনি পরিবারকে বাড়িতে ফিরতে সহায়তা করছিল।
তরুণদের নিয়ে গঠিত শিথিল সংগঠিত ‘হিলটপ ইয়ুথ’ ধর্মীয়-জাতীয়তাবাদী আদর্শে ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ইহুদি বসতি বাড়াতে চায়। তারা প্রতিষ্ঠিত বসতির বাইরে পাহাড়চূড়ায় অনুমোদনহীন আউটপোস্ট ও কৃষি প্রকল্প গড়ে তোলে। চিলড্রেন অব আব্রাহামের ডভির ওয়ারশাভস্কির মতে, নতুন এই প্রজন্মের লক্ষ্য সহিংসতার মাধ্যমে ফিলিস্তিনিদের জমি দখল করা। গোষ্ঠী-সংশ্লিষ্ট একটি হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল ১২ মাসে ৬৩৫ হামলার দাবি করলেও এএফপি তা স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি।
জাতিসংঘে গত সপ্তাহের ভাষণে প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু এসব হামলাকে প্রায় ১৫০ কিশোর অপরাধীর কাজ বলেন। পিস নাওয়ের তথ্য অনুযায়ী, ইসরাইল প্রায় ১৪০টি বসতিকে স্বীকৃতি দিয়েছে, আর প্রায় ৪০০ খামার ও ছোট বসতি ইসরাইলি আইনেও অবৈধ। বিশেষজ্ঞদের মতে, ২০০৫ সালে বসতি উচ্ছেদের পর হিলটপ ইয়ুথের তৎপরতা গতি পায়।
জালুদে হামলার পর উগ্র হিলটপ ইয়ুথ বসতি আন্দোলন নিয়ে নতুন উদ্বেগ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।