ফেব্রুয়ারিতে আসামের চিরাং জেলার ২৬ বছর বয়সি যুবক জুবিন নাথ বেঙ্গালুরুর একটি টাইলস কারখানায় দুর্ঘটনায় মারা যান। প্রায় পাঁচ বছর ধরে তিনি ওই কারখানায় কাজ করছিলেন। তার বাবা জানান, মেশিনে পড়ে জুবিনের মৃত্যু হয়। পরদিন ঠিকাদারের সহায়তায় মরদেহ বাড়িতে আনা হয়। তবে এই মৃত্যু রাজ্যে তেমন আলোচনায় আসেনি।
আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মার তথ্য অনুযায়ী, সেপ্টেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত রাজ্যের বাইরে কাজ করতে গিয়ে ১৬২ জন শ্রমিক মারা গেছেন। বিরোধী বিধায়ক অখিল গগৈ বলেন, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন সামনে থাকলেও এই বিষয়টি রাজনৈতিকভাবে গুরুত্ব পাচ্ছে না। কাছাড় জেলার ইকবাল আহমেদ জানান, মেঘালয়ের অবৈধ কয়লাখনিতে তার তিন আত্মীয়সহ বহু শ্রমিক মারা গেছেন। গত সেপ্টেম্বরে চেন্নাইয়ে দুর্ঘটনায় নয়জন আদিবাসী শ্রমিকের মৃত্যু হয়।
বিশেষজ্ঞ ও বিরোধীরা বলছেন, রাজ্যে কর্মসংস্থানের অভাব ও সরকারি প্রকল্পের ব্যর্থতার কারণে মানুষ ঝুঁকিপূর্ণ কাজে বাইরে যেতে বাধ্য হচ্ছে। আদিবাসী ও মুসলিম সম্প্রদায়ের অনেকেই এসব বিপজ্জনক কাজে জড়িয়ে পড়ছেন।
আসামের অভিবাসী শ্রমিকদের মৃত্যু কর্মসংস্থান সংকট ও নিরাপত্তাহীনতা উন্মোচন করছে
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।