ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেছেন, সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির সঙ্গে যোগাযোগ রাখা খুবই কঠিন হলেও তাঁর উপস্থিতি দেশের জন্য একটি বড় শক্তির উৎস। বুধবার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন। পেজেশকিয়ান মোজতবা খামেনিকে অসাধারণ ব্যক্তিত্ব হিসেবে বর্ণনা করে তাঁর নৈতিকতা, বিনয় ও যুক্তিবোধের প্রশংসা করেন।
পেজেশকিয়ান বলেন, কর্মকর্তারা সর্বোচ্চ নেতার সামনে খোলামেলাভাবে বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরলে পারস্পরিক বোঝাপড়া সহজ হয়। তিনি অভিযোগ করেন, কিছু মানুষ যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা স্মারক নিয়ে সর্বোচ্চ নেতার বার্তাকে অজুহাত বানিয়ে দেশের অভ্যন্তরে বিভাজন তৈরির চেষ্টা করছে। ১৭ জুন ডোনাল্ড ট্রাম্প ও পেজেশকিয়ান ১৪ দফার একটি সমঝোতা স্মারকে সই করেন, যার লক্ষ্য ছিল যুদ্ধবিরতি কার্যকর করা, নৌ অবরোধ প্রত্যাহার এবং চলমান সামরিক অভিযান বন্ধ করা।
শুরুতে কিছু সংরক্ষণ থাকলেও পরে মোজতবা খামেনি প্রকাশ্যে সমঝোতাটির প্রতি সমর্থন জানান। পেজেশকিয়ানের ভাষ্য অনুযায়ী, ইরানের প্রতিপক্ষ নিষেধাজ্ঞা ও সামরিক চাপ বাড়িয়ে জনগণের অসন্তোষ এবং বিক্ষোভ উসকে দিতে চায়। তিনি ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর বর্তমান সময়কে ইরানের সবচেয়ে কঠিন সময় বলে উল্লেখ করেন। এপ্রিলের যুদ্ধবিরতির পর পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় জুনের স্মারকটি সই হয়।
পেজেশকিয়ান বলেন, মোজতবা খামেনির উপস্থিতি ইরানের শক্তির বড় উৎস
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।