দীর্ঘদিনের গ্যাস সংকটে সারা দেশে তিন শতাধিক গার্মেন্ট কারখানা বন্ধ হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম। শনিবার, ২২ আগস্ট বিকেলে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় বিকেএমইএ কার্যালয়ে ব্যবসায়ীদের বৈঠক শেষে তিনি বলেন, উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় দেশের রপ্তানি ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং ইউরোপের ক্রেতারা আদেশ প্রতিবেশী দেশগুলোতে সরিয়ে নিচ্ছেন।
হাতেম বলেন, এক মাস ধরে বিভিন্ন এলাকায় গ্যাস সংকট চলায় অনেক কারখানায় উৎপাদন বন্ধ ছিল। জ্বালানি মন্ত্রণালয় ১০ আগস্টের পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার আশ্বাস দিলেও দুই দিন কিছুটা গ্যাস পাওয়ার পর অবস্থা আরও খারাপ হয়েছে। তিনি জানান, ইউরোপের একটি বড় আদেশ বাতিল করে পার্শ্ববর্তী দেশে নেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে এবং নতুন রপ্তানি আদেশ ধরে রাখা নিয়ে ব্যবসায়ীরা শঙ্কিত।
বৈঠকে ব্যবসায়ী নেতারা সরকারের কাছে ছয়টি দাবি দেন। জুন-জুলাইয়ের গ্যাস ও বিদ্যুৎ বিল ১২ মাসে কিস্তিতে পরিশোধ এবং এ সময় বিল বাকি থাকলেও সংযোগ বিচ্ছিন্ন না করার দাবি জানানো হয়। তারা সাপ্তাহিক সরকারি ব্রিফিং, গণপরিবহনে সিএনজি সরবরাহ বন্ধ, অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন এবং ঋণের কিস্তি আদায় থেকে বিরত থাকার আহ্বানও জানান।
বিকেএমইএ বলছে গ্যাস সংকটে ৩০০টির বেশি গার্মেন্ট বন্ধ, ক্ষতিগ্রস্ত রপ্তানি
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।