ফিলিস্তিনি বন্দিদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের জন্য ইসরাইল একটি স্থাপনা নির্মাণ শুরু করেছে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। ২০ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত এ খবরের পর আরব লীগ উদ্যোগটির তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। সংস্থাটি বলেছে, কোনো মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হলে তা যুদ্ধাপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে এবং এর জন্য আন্তর্জাতিক জবাবদিহি প্রয়োজন হবে।
বিবৃতিতে আরব লীগ এ পদক্ষেপকে ফিলিস্তিনি বন্দিদের অধিকার লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে বিপজ্জনক ও নজিরবিহীন বলে বর্ণনা করেছে। তাদের মতে, এটি আন্তর্জাতিক মানবিক আইন, চতুর্থ জেনেভা কনভেনশন ও এর প্রোটোকল এবং আন্তর্জাতিক নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকারবিষয়ক চুক্তির লঙ্ঘন। এসব আইনে দখলকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে বন্দিদের সুরক্ষা এবং অমানবিক বা স্বেচ্ছাচারী আচরণ থেকে রক্ষার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
আরব লীগ বলেছে, গত মার্চে নেসেটে ‘সন্ত্রাসবাদ’সংক্রান্ত অপরাধে মৃত্যুদণ্ডের প্রয়োগ সম্প্রসারণের আইন পাস এবং এখন অবকাঠামো তৈরির প্রস্তুতি একটি পদ্ধতিগত নীতির অংশ। মানবাধিকার সংগঠনগুলো আইনটি ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে বৈষম্যমূলকভাবে প্রয়োগের আশঙ্কা করেছিল। ইসরাইলি কারাগারে হাজার হাজার ফিলিস্তিনি বন্দি রয়েছেন; তাদের অনেককে বিচার ছাড়াই প্রশাসনিক আটকাদেশে রাখা হয়েছে, যা অধিকার সংগঠনগুলো স্বেচ্ছাচারী ও অন্যায্য বলে সমালোচনা করে আসছে।
ফিলিস্তিনি বন্দিদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হলে তা যুদ্ধাপরাধ হবে বলে সতর্ক করেছে আরব লীগ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।