Web Analytics

যুক্তরাষ্ট্র ইসরাইলকে সঙ্গে নিয়ে ইরানের বিরুদ্ধে পূর্ণমাত্রার সামরিক অভিযান শুরু করেছে, যেখানে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা ও শীর্ষ কর্মকর্তাদের লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। একই সময়ে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট ও তাঁর স্ত্রীকে অপহরণের অভিযোগও উঠেছে। এসব ঘটনাকে আন্তর্জাতিক আইন, জাতিসংঘ সনদ ও রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্বের নীতির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। এই পদক্ষেপ যুক্তরাষ্ট্রের আগের যুদ্ধ-পরিহারী নীতির বিপরীতে এক নতুন আক্রমণাত্মক কৌশলের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতি আরও আক্রমণাত্মক হয়ে উঠেছে এবং বিভিন্ন দেশে শাসন পরিবর্তনের প্রচেষ্টা দেখা যাচ্ছে। ইরান পাল্টা হামলা চালিয়েছে মার্কিন ও ইসরাইলি সামরিক স্থাপনায়, ফলে হামলা-পাল্টা হামলার এক বিপজ্জনক চক্র শুরু হয়েছে। কিছু আরব রাষ্ট্র যুক্তরাষ্ট্রের পাশে দাঁড়ালেও ইরান কার্যত একা লড়ছে, আর চীন, রাশিয়া ও জাতিসংঘের আহ্বান উপেক্ষা করা হয়েছে।

বিশ্লেষকেরা সতর্ক করেছেন, এই সংঘাত হরমুজ প্রণালির তেল পরিবহন ব্যাহত করতে পারে, তেলের দাম বাড়াতে পারে এবং বৈশ্বিক অর্থনীতি ও মানবিক সংকট সৃষ্টি করতে পারে। প্রতিবেদনের উপসংহারে বলা হয়েছে, সামরিক শক্তি নয়, বরং রাজনৈতিক সমঝোতা ও আঞ্চলিক ঐক্যই স্থায়ী শান্তির ভিত্তি।

08 Mar 26 1NOJOR.COM

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র–ইসরাইলের হামলায় আঞ্চলিক অস্থিরতা ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ঝুঁকি বাড়ছে

Person of Interest

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।