দীর্ঘ গাজা যুদ্ধ, ইরানের সঙ্গে সরাসরি সামরিক সংঘাত, উত্তরাঞ্চলের নিরাপত্তাহীনতা এবং প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সরকারকে ঘিরে বিতর্কে ইসরাইল বহুমুখী চাপের মুখে পড়েছে। সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, রাজনৈতিক বিভাজন, অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা ও নিরাপত্তা ঝুঁকি একসঙ্গে সরকারের সংকট মোকাবিলার সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। তবে অভ্যন্তরীণ সংঘাত বা গৃহযুদ্ধ অনিবার্য—এমন নিশ্চিত প্রমাণ নেই।
রাষ্ট্র পরিচালনা, নিরাপত্তানীতি, অধিকৃত ভূখণ্ড ব্যবস্থাপনা, বিচারব্যবস্থা সংস্কার এবং অতি-গোঁড়া ইহুদিদের বাধ্যতামূলক সামরিক নিয়োগ নিয়ে মতবিরোধ রয়েছে। আইএনএসএসের ২০২৬ সালের জুনের জরিপে ২৫ শতাংশ উত্তরদাতা সরকারের ওপর উচ্চ আস্থা দেখিয়েছেন, আর ৭৩ শতাংশের আস্থা ছিল নিম্নপর্যায়ে। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের হামলা ঠেকাতে ব্যর্থতা এবং পরবর্তী পরিস্থিতি সামলানো নিয়েও সরকারের সমালোচনা আছে।
ইসরাইলের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ২০২৩ থেকে ২০২৬ পর্যন্ত যুদ্ধের ব্যয় প্রায় ৩৫০ বিলিয়ন শেকেল বলে অনুমান করেছে; এতে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির শেষ দিক থেকে ইরানবিরোধী অভিযানের ব্যয় অন্তর্ভুক্ত নয়। সরকারি ঋণ-জিডিপি অনুপাত ২০২৩ সালের শুরুতে ৬০ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে ২০২৫ সালের শেষে ৬৮ দশমিক ৫ শতাংশে উঠেছে। গাজা, উত্তরাঞ্চল ও ইরান-সংঘাতের অমীমাংসিত ঝুঁকি নীতিনির্ধারণকে আরও কঠিন করছে।
দীর্ঘ সংঘাতের মধ্যে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা চাপে ইসরাইল
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।