২০২৬ সালের স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন ভাষণে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ২০২৫ সালের মে মাসে ভারত ও পাকিস্তানের সংঘর্ষ থামাতে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ, নইলে তা পারমাণবিক যুদ্ধে রূপ নিতে পারত। তবে নয়াদিল্লি এই মন্তব্যে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানায় এবং জানায় যে এটি একটি দ্বিপাক্ষিক বিষয়। চার দিনব্যাপী ওই সংঘর্ষে ড্রোন, ক্ষেপণাস্ত্র ও ভারী গোলাবর্ষণের মাধ্যমে সামরিক ঘাঁটি ও শহরাঞ্চল লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছিল।
সংঘর্ষের পর উভয় দেশই সামরিক কৌশল পুনর্বিন্যাস করছে। ভারত “নিউ নরমাল” নীতি গ্রহণ করে জানিয়েছে, তারা নির্ভুল ও কঠোর আঘাত হানবে এবং পারমাণবিক হুমকিকে গুরুত্ব দেবে না। পাকিস্তানও পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, তারা ভারতের গভীরে আঘাত হানতে সক্ষম। বিশ্লেষকদের মতে, উভয় দেশই মনে করছে প্রচলিত যুদ্ধ পারমাণবিক সংঘাতে গড়াবে না, কিন্তু নতুন প্রযুক্তি ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের কারণে ভুল হিসাবের ঝুঁকি বেড়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভবিষ্যতের সংঘাত ঠেকাতে এখনই কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। গোপন সংলাপ, আস্থা বৃদ্ধিমূলক উদ্যোগ এবং দ্রুত যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়ন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদেরও একটি সুসংগঠিত সংকট ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা তৈরি করা দরকার।
বিশ্লেষকদের মতে ভারত-পাকিস্তান উত্তেজনা আরও দ্রুত ও অনিয়ন্ত্রিত সংঘাতে রূপ নিতে পারে
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।