ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজা ও শেষ বিদায় অনুষ্ঠান শুরু হয়েছে। ২ কোটি মানুষের উপস্থিতি প্রত্যাশা করে দেশটি ১৬টি ভ্রাম্যমাণ বেকারির মাধ্যমে ৫ কোটি রুটি তৈরির প্রস্তুতি নিয়েছে। বাসিজ বাহিনী জানিয়েছে, শোকগ্রস্তদের জন্য ২ হাজার ৫০০টি অ্যাম্বুলেন্স, ২১টি হেলিকপ্টার, ১০০টি ড্রোন এবং ২০ হাজার ক্লাসরুম আবাসনের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
তেহরানে ব্যক্তিগত গাড়ি চলাচল নিষিদ্ধ করে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ট্রাফিক পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। জুলাইয়ের গরমে জনতাকে স্বস্তি দিতে মোসাল্লা কমপ্লেক্সে ৬ হাজারের বেশি পানির স্প্রিঙ্কলার বসানো হয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় বিদায় অনুষ্ঠান আয়োজনের মাধ্যমে ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের টিকে থাকার ক্ষমতা প্রদর্শনই তাদের লক্ষ্য। তবে এই আয়োজনের কারণে রাজধানীতে তীব্র যানজট ও জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে।
পাকিস্তান, চীন, তুরস্ক, রাশিয়া ও অন্যান্য দেশের প্রতিনিধিরা খামেনির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন, তবে কোনো পশ্চিমা কর্মকর্তাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। নিরাপত্তাজনিত কারণে খামেনির ছেলে ও বর্তমান সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা আলী খামেনি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন না।
খামেনির জানাজায় ৫ কোটি রুটি প্রস্তুত, তেহরানে লাখো মানুষের ভিড়
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।