স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জাতীয় সংসদে জানান, প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান ২১ থেকে ২৬ জুন মালয়েশিয়া ও চীন সফর করেছেন, যা বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। তিনি বলেন, এই সফরে বাংলাদেশের সঙ্গে দুই দেশের সম্পর্ক আরও দৃঢ় হয়েছে এবং চীনের সঙ্গে ১৭টি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর এই সাফল্যের জন্য সর্বসম্মতভাবে ধন্যবাদ প্রস্তাব গৃহীত হয়।
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান প্রস্তাবের সমর্থন জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি পারস্পরিক সম্মান, অ-হস্তক্ষেপ ও কৌশলগত স্বায়ত্তশাসনের ভিত্তিতে পরিচালিত হয়। তারা উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রীর এই সফর সেই নীতির প্রতিফলন ঘটিয়েছে এবং দেশের স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতিকে আরও শক্তিশালী করেছে। প্রস্তাব গৃহীত হলে সংসদ সদস্যরা টেবিল চাপড়ে সমর্থন জানান।
বিরোধীদলীয় নেতা আরও বলেন, সংসদ যেন জাতীয় সিদ্ধান্তের মূল কেন্দ্রবিন্দু হয় এবং সরকারি ও বিরোধী দল পরস্পরের প্রতি সম্মান রেখে দেশ গঠনে ভূমিকা রাখে।
মালয়েশিয়া ও চীন সফরে সম্পর্ক জোরদারে প্রধানমন্ত্রীর সাফল্যে সংসদের প্রশংসা
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।