চট্টগ্রামের বাঁশখালীর মিষ্টি পান চাষ করে স্বাবলম্বী হচ্ছেন কৃষকেরা, আর দেশের চাহিদা মিটিয়ে এই পান বিদেশেও রপ্তানি হচ্ছে। স্বাদ ও মিষ্টতার জন্য পরিচিত বাঁশখালীর পানের বিদেশি বাজারে চাহিদা দিনদিন বাড়ছে। উপজেলার পুঁইছড়ি, নাপোড়া, চাম্বল, শীলকুপ, জলদী, বৈলছড়ী, কালীপুর, সাধনপুর ও পুকুরিয়ায় এ পান চাষ করা হয়; পাহাড়ি এলাকার জমি পান চাষের জন্য উর্বর বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ অঞ্চলে কয়েক হাজার কৃষক পান চাষের সঙ্গে সম্পৃক্ত। অনেকে ঐতিহ্যগতভাবে এ চাষ ধরে রেখেছেন, আবার লাভজনক হওয়ায় নতুনরাও পান চাষে ঝুঁকছেন। বাঁশখালীতে বাংলা পান ও মিষ্টি পান—দুই ধরনের পান চাষ হয়। উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর বাঁশখালীতে ১৪০ হেক্টর জমিতে পান চাষ করা হয়েছে।
সাম্প্রতিক স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যায় পানের বরজের ব্যাপক ক্ষতি হওয়ায় চাষিরা বিপাকে পড়েছেন। পূর্ব-পুঁইছড়ির হেলাল ও নাপোড়ার মমতাজ উদ্দিন বলেন, মহাজনের কাছ থেকে সুদে ঋণ নিয়ে চাষ করার পর পাহাড়ি ঢলে তাদের বরজ তলিয়ে গেছে। কৃষি কর্মকর্তা শ্যামল চন্দ্র সরকার জানান, ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। বাঁশখালীর পান সৌদি আরব, পাকিস্তান, মালয়েশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশে রপ্তানি হচ্ছে।
বন্যার ক্ষতির মধ্যেও বিদেশে বাড়ছে বাঁশখালীর মিষ্টি পানের চাহিদা
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।