খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল করিমের একটি লেখায় বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে বিশ্ববিদ্যালয়টি শান্তিপূর্ণ ও শৃঙ্খলাবদ্ধ কর্মসূচির মাধ্যমে গণতান্ত্রিক অধিকারের পক্ষে অবস্থান নেয়। মানববন্ধন, প্রতিবাদ সমাবেশ, গণমিছিল ও সচেতনতামূলক কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। কুয়েট, সরকারি বিএল কলেজ, খুলনা মেডিকেল কলেজসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সমন্বয় দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে গণঐক্য গড়ে তোলে বলে লেখায় উল্লেখ করা হয়।
লেখায় গণিত ডিসিপ্লিনের শিক্ষার্থী মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধের আত্মত্যাগকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকার কেন্দ্রীয় ঘটনা হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। আন্দোলনরত মানুষের মধ্যে পানি বিতরণের সময় তিনি গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন বলে এতে বলা হয়। তার মৃত্যুর পর শিক্ষার্থীদের দাবিতে ক্যাম্পাসে গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়; প্রশাসন প্রথমে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নিতে দ্বিধাগ্রস্ত ছিল বলেও লেখায় দাবি করা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় ১৮ জুলাইকে ‘শহীদ মীর মুগ্ধ দিবস’ হিসেবে পালনের উদ্যোগ নিয়েছে। প্রধান ফটকের নাম ‘শহীদ মীর মুগ্ধ তোরণ’ করা এবং ‘জুলাই ’২৪ গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি কর্নার’ স্থাপনের পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে। আন্তঃডিসিপ্লিন ফুটবল প্রতিযোগিতার নামকরণ এবং বিভিন্ন ভবনে ‘মুগ্ধ ওয়াটার কর্নার’ স্থাপনের উদ্যোগের কথাও লেখায় রয়েছে।
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় মীর মুগ্ধের স্মৃতি সংরক্ষণে দিবস, তোরণ ও স্মৃতি কর্নারের উদ্যোগ নিয়েছে
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।