দেশে সার প্রাপ্যতা নিয়ে সংসদে সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে বিতর্ক হয়েছে। সরকার দেশে সামগ্রিক কোনো সারঘাটতি নেই বলে দাবি করেছে, আর বিরোধী দলের সদস্যরা প্রশ্ন তুলেছেন—মজুত পর্যাপ্ত হলে কৃষকেরা কেন সার পাচ্ছেন না। কৃষিকাজ ব্যাহত হওয়া, কৃষকদের উদ্বেগ এবং সম্ভাব্য খাদ্যসংকটের ঝুঁকি নিয়ে কার্যপ্রণালি বিধির ৬৮ ধারায় নোটিশ দেন জামায়াতের সংসদ সদস্য নাজিবুর রহমান। শিল্প ও কৃষি মন্ত্রণালয়-সংশ্লিষ্ট কোনো মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী আলোচনায় অংশ নেননি।
স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, ৩ হাজার ৭৫৯টি সার ডিলার পয়েন্ট শূন্য রয়েছে এবং প্রতি ইউনিয়নে একজন করে নতুন ডিলার নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে। তিনি ভারত ও মিয়ানমারে সার পাচারের প্রবণতার তথ্য থাকার কথা বলেন এবং দুটি ঘটনায় তিনজন গ্রেপ্তারের কথা জানান। বিরোধী সদস্যরা ব্যবস্থাপনা, পরিকল্পনা বাস্তবায়ন ও সরবরাহব্যবস্থার দুর্বলতার অভিযোগ করেন; তারা কালোবাজারি ও ডিলার সিন্ডিকেট ভাঙার দাবি তোলেন।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু জানান, ৬৪ জেলায় ৬৪টি মনিটরিং সেল গঠন করা হয়েছে এবং অভিযোগ পেলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তাঁর হিসাবে দেশে মোট সার রয়েছে ৫১ দশমিক ৭১ লাখ মেট্রিক টন, চাহিদা পূরণের পর ১৫ দশমিক ৮৪ লাখ মেট্রিক টন উদ্বৃত্ত থাকবে। বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ শরিফুল আলম পর্যাপ্ত উৎপাদন, আমদানি ও মজুতের কথা বললেও ব্যবস্থাপনায় ত্রুটি থাকতে পারে বলে স্বীকার করেন।
পর্যাপ্ত মজুতের সরকারি দাবির মধ্যেও কৃষকের সার প্রাপ্যতা নিয়ে সংসদে বিতর্ক
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।