ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি ২০২৫ সালে ২১ দশমিক ৫৭ শতাংশ বাজার অংশ নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থান আরও শক্ত করেছে। ইউরোস্ট্যাটের তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ সালে ১৪ হাজার ২৯৫ মিলিয়ন ইউরো থেকে ২০২৫ সালে রপ্তানি বেড়ে দাঁড়ায় ১৯ হাজার ৪১৪ দশমিক ৫৫ মিলিয়ন ইউরো, যা ৩৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নির্দেশ করে। বৈশ্বিক চাহিদা মন্থর থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশ চীন, ভারত ও তুরস্কের তুলনায় ভালো করেছে। চীন ২৯ দশমিক ৫৪ শতাংশ নিয়ে শীর্ষে, তুরস্ক ৯ দশমিক ২৭ এবং ভারত ৫ দশমিক শূন্য তিন শতাংশে রয়েছে।
শিল্প সংশ্লিষ্টরা জানান, দীর্ঘদিনের ধারাবাহিক প্রচেষ্টা, প্রতিযোগিতামূলক মূল্য এবং স্থিতিশীল সরবরাহ ব্যবস্থার ফলেই এই সাফল্য এসেছে। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, ইইউ এখনো বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রপ্তানি গন্তব্য, যেখানে দেশের অধিকাংশ পোশাক রপ্তানি হয়।
সিপিডির বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, টেকসই উৎপাদন ও পরিবেশবান্ধব কারখানা বৃদ্ধির ফলে ইউরোপে বাংলাদেশের অবস্থান আরও শক্ত হয়েছে। তারা মনে করে, এলডিসি উত্তরণের পর শুল্কমুক্ত সুবিধা বজায় রাখতে ইইউর সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি এবং পণ্যের বৈচিত্র্য বাড়ানো জরুরি।
পাঁচ বছরে ৩৬% প্রবৃদ্ধিতে ইইউ পোশাক বাজারে বাংলাদেশের অবস্থান আরও শক্ত
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।