আইন প্রয়োগকারী সংস্থার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের তিন পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ি, বান্দরবান ও রাঙামাটিতে তিনটি স্থানীয় সশস্ত্র সংগঠন বছরে ৬১০ কোটি টাকার বেশি চাঁদা আদায় করে। প্রতিবেদনে জেএসএস-সন্তুর ২৮০ কোটি, ইউপিডিএফ-প্রসীতের ২৫০ কোটি এবং কেএনএফের ৭৯ কোটি ৭৮ লাখ টাকা আদায়ের কথা বলা হয়েছে। ৪১টি খাত থেকে সংগৃহীত এ অর্থ অস্ত্রের মজুত গড়তে ব্যবহৃত হচ্ছে বলেও অভিযোগ করা হয়।
প্রতিবেদন ও স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, কৃষিপণ্য উৎপাদন ও বিক্রি, ব্যবসা, যানবাহন, ঠিকাদারি, গবাদিপশু বিক্রি, চাকরি এবং বাড়িঘর নির্মাণসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে চাঁদা দিতে হয়। গত এক বছরে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো ১০৩ জনকে অপহরণ করেছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়, মুক্তিপণ আদায়, রাজনৈতিক আধিপত্য বজায় রাখা এবং মানুষের মধ্যে ভীতি তৈরিতে অপহরণকে কৌশল হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
নিরাপত্তা বাহিনীর প্রতিবেদনে জেএসএস-সন্তু ও ইউপিডিএফ-প্রসীতের অস্ত্র, গোলাবারুদ ও হ্যান্ড গ্রেনেড সংগ্রহের তথ্য রয়েছে। রাঙামাটির পুলিশ সুপার আব্দুর রকিব বলেন, অভিযোগ পেলে মামলা নেওয়া, গ্রেপ্তার অভিযান, টহল ও তল্লাশি চালানো হয় এবং দুর্গম এলাকায় সেনাবাহিনী ও বিজিবির সহযোগিতা নেওয়া হয়। নিরাপত্তা বিশ্লেষক অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল রোকন উদ্দিন শান্তিচুক্তি পুনর্মূল্যায়ন এবং সব অংশীজনকে নিয়ে কমিশন গঠনের পরামর্শ দিয়েছেন।
প্রতিবেদনে তিন পার্বত্য জেলায় বছরে ৬১০ কোটির বেশি চাঁদাবাজির অভিযোগ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।